শঙ্কা কাটিয়ে, সবুজ সংকেত পেলো আইপিএল, মানতে হবে নানা নিয়ম

0
85

পিনিউজ ডেস্ক:

অবশেষে সংযুক্ত আরব আমিরাতে আইপিএলের ১৩ তম আসর আয়োজনের অনুমতি দিল ভারত সরকার। ১৯ সেপ্টেম্বর শুরু হবে খেলা। ফাইনাল হবে ১০ নভেম্বর। খেলা হবে দুবাই, আবুধাবি ও শারজার তিনটি ভেন্যুতে। গ্রুপ পর্বের কোনো ম্যাচে দর্শক না থাকলেও পরের পর্ব থেকে দর্শক থাকতে পারে। তবে এরই মধ্যে চমক চীনের সঙ্গে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব থাকার পরও, চীনা মোবাইল কোম্পানিই থাকছে আইপিএলের টাইটেল স্পন্সর হিসেবে।

অবশেষে কেটে গেল শঙ্কা। প্রকাশিত হল ২০২০ আইপিএল এর চূড়ান্ত দিনক্ষণ আর নীতিমালা। খসড়া প্রস্তাব আগেই প্রেরণ করা হয়েছিল। শুধু বাকি ছিল সরকারের অনুমতি। সেখানেও সবুজ সংকেত মিলেছে। ভারতে নয়, করোনার কারণে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর সংযুক্ত আরব আমিরাতে শুরু হবে বিশ্বের অন্যতম জৌলুসপূর্ণ ক্রিকেট লিগ আইপিএলের ১৩ নম্বর আসর।

আইপিএল চলাকালীন যাবতীয় স্বাস্থ্য সম্পর্কিত বিষয় দেখাশোনা করার জন্য দুবাইয়ের একটি সংস্থার সঙ্গে কথা চলছে বোর্ডের। তেমনই একটি নামী ভারতীয় সংস্থার সঙ্গে কথা চলছে ‘বায়ো বাবল’ অর্থাৎ জৈব সুরক্ষা বলয় তৈরি করার জন্য। তবে সমালোচকদের কথাই সত্য হল। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাতিল করে শেষমেষ আইপিএলই আয়োজন করা হচ্ছে। তাতে যে ভারতের সম্ভাব্য চার হাজার কোটি টাকা লোকসান থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।

ভিডিও কনফারেন্সে আইপিএল’র ত্রয়োদশ আসর নিয়ে দীর্ঘ বৈঠক শেষে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড সব জটিলতা খোলাসা করেছে। আইপিএলের ত্রয়োদশ সংস্করণ হতে চলেছে ৫৩ দিনের একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিযোগিতা। ২৪ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করতে পারবে প্রত্যেকটি ফ্র্যাঞ্চাইজি। ১০ নভেম্বর হবে ফাইনাল। প্রতিটি ম্যাচের সম্প্রচার ৩০ মিনিট করে এগিয়ে আনা হয়েছে। দিনের ম্যাচগুলো শুরু হবে বাংলাদেশ সময় বিকাল ৪টায়। রাতের ম্যাচ ৮টা থেকে।

এবারের আইপিএলে দশটি ডাবলহেডার হবে। অর্থাৎ দশদিন এক দিনে দুটি করে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। অন্য আসরের চেয়ে যা তিন দিন বেশি। টুর্নামেন্টের ১০টি ম্যাচ হবে দিনে। বাকি সব ম্যাচ হবে রাতে।

প্রশ্ন হচ্ছে জনপ্রিয় এই লিগে দর্শক থাকবে কিনা? গ্রুপ পর্বের সবগুলো ম্যাচ ফাঁকা গ্যালারিতে অনুষ্ঠিত হবে। তবে এরপর পরিস্থিতি বিবেচনা করে দর্শকদের মাঠে আসার অনুমতি দেয়া হতে পারে। যদিও ইতোমধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকার ৩০ থেকে ৫০ ভাগ দর্শক উপস্থিত থাকার অনুমতি দিয়ে দিয়েছে। টুর্নামেন্ট চলাকালীন স্কোয়াডের কোনও ক্রিকেটার কোভিড-১৯ আক্রান্ত হলে তার পরিবর্তে অন্য ক্রিকেটারকে দলে নিতে পারবে দলগুলো।

বিসিসিআইয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সরকারের থেকে সবুজ সংকেত পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী বোর্ড। ক্রীড়ামন্ত্রণালয় থেকে ইতোমধ্যেই সম্মতি পাওয়া গেছে। সোমবারই ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর হাতে চূড়ান্ত সূচি পৌঁছে যেতে পারে।