ইসলামের দৃষ্টিতে বায়’আত বা মুরীদ হওয়ার ব্যাপারে কুরআন সুন্নাহ কি বলে? (পর্ব ২)

0
93

আল্লামা ইমাম তীব্বি (রাহ.) বলেন, কোনো নির্দিষ্ট কাজের ব্যাপারে নেতা বা শায়খের হাতে হাত রেখে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হওয়া (শরহে তিব্ব)। কতিপয় আলেমের মতে, কারো আনুগত্যের অঙ্গীকার করে তাঁর কথা পালনে চুক্তিবদ্ধ হওয়া।বায়’আতের প্রকারভেদ: বায়’আত দুই প্রকার যথা-বায়আতে বরকত, বায়আতে এরাদত (বায়আত ও খিলাফতের বিধান, আলা হযরত ইমাম আহমদ রযা খাঁন বেরলভী (রহ.)অনুবাদক-মুহাম্মদ নিজাম উদ্দিন)।বায়আতে বরকত হচ্ছে-শুধু তাবারুক (বরকত লাভ)এর নিমিত্তে তরীকতের সিলসিলায় প্রবেশ করা।বর্তমানে সাধারণ বায়আতসমূহ এ প্রকারই। আর এ প্রকার বায়আতের জন্য পীরের মধ্যে সায়েখে ইত্তিসালের শর্ত চতুষ্টয় একত্রে পাওয়া গেলেই যথেষ্ট হবে।

বায়আতে বরকতের ফযীলত: ইহকাল ও পরকালে কল্যাণ ও মুক্তির নিমিত্ত এ বায়আতের গুরুত্ব অপরিসীম।বায়আতের এর মাধ্যমে খোদা প্রেমিকদের দফতরে নাম লেখানো তাদের সাথে সিলসিলাহয় সম্পৃক্ত হওয়া যায়। আল্লাহর প্রকৃত গোলামদের পথে এ বিষয়ে সাদৃশ্য পাওয়া যায়।হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) হতে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ (দ.) ইরশাদ করেন-“যে কোন ব্যক্তি বা জাতির সাথে সাদৃশ্য রাখে, সে তাদের অন্তভূক্ত(আবু দাউদ, আস সুনান, কিতাবুল লিবাস, হাদিস নং ৪০৩১)। আসলে এট হচ্ছে আল্লাহর নৈকট্যলাভে ধন্য বান্দাদের সাথে একটি মুক্তা সালায় গ্রথিত হওয়ার নাম।কথিত আছে‘ বুলবুলির জন্য ফুলের সান্নিধ্যই যথেষ্ট’।
হাদিসে খুদসীতে ইরশাদ আছে-“তাঁরা এই সব লোক, তাঁদের সাথে উপবেশনকারী ও দুর্ভাগা হয় না।তিরমিযি বলেন হাদিসটি হাসান, সহিহ্ (আত্‌তিরমিযী, আল জামি, আবওয়াবুদ দাওয়াত)। চলবে—

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here