কুরআন সুন্নাহর আলোকে “শবে বরাত”র গুরুত্ব (৪)

0
108

শা’বান মাসে রোযা
হুযূর-ই আকরামের আমল শরীফ
عن أسامة زيد قلت يارسول الله لم ارك تصوم من شهر من الشهور ما تصوم من شعبان قال ذالك شهر يغفل الناس عن بين رجب ورمضان وهو شهر يرفع الا عمال الى رب العالمين فأجب ان يرفع عماى واناصائم –
অর্থাৎ হযরত ওসামা ইবনে যায়দ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি প্রশ্ন করলাম হে আল্লাহর রসূল আপনি শা’বান মাসে যত বেশি রোযা রাখেন, জন্য কোন মাসে আপনাকে এত বেশি রোযা রাখতে দেখিনা এর কারণ কি? তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু তা’আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করলেন এ মাস রজব ও রমজানের মাঝমাঝি। এ মাস সম্পর্কে মানুষ গাফেল বা উদাসীন রয়েছে। এ মাসে আল্লাহর কাছে বান্দার আমল উঠানো হয়। আমি পছন্দ করি আমার আমলসমূহ তখন এমন অবস্থায় উঠানো হোক যে, আমি রোযাদার। [কানযুল উম্মাল দুররে মানসূর: ৭ম খণ্ড, ৪০১পৃষ্ঠা
রহমাতের দরজা খোলা হয়
শবে বরাতের রজনীতে মহান আল্লাহর নির্দেশে রহমতের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয়। হাদীস শরীফে তার প্রমাণ রয়েছে-
عن عائشة رضى الله قالت سعمت النبى صلى الله عليه وسلم يقول يفتح الله الخير فى اربع ليال- ليلة الاضحى والفطر وليلة النصف من شعبان ينسخ فيها الاجال والارزاق ويكتب فيها الحاجّ وفى ليلك عرفة الى الاذان- (رواه ابن ماجة)
হযরত মা আয়েশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি নবী করীম সাল্লাল্লাহু তা’আলা আলায়হি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, চার রাতে আল্লাহ্ কল্যাণের দরজা খুলে দেন: ঈদুল আযহা বা কোরবানীর ঈদের রাত, ঈদুল ফিতরের রাত, শা’বান মাসের চৌদ্দ তারিখ দিনগত রাত, যে রাতে মৃতের তালিকা তৈরি হয় এবং রিযিক নির্ধারিত হয় ও হজ্বে গমনকারীদের তালিকাভুক্ত করা হয়। আরাফার রাত (৮ জিলহজ্ব দিনগত রাত) ফজরের আযান পর্যন্ত।
[সুনানে ইবনে মাজাহ্: পৃষ্ঠা]  চলবে—

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here