কুরআন সুন্নাহর আলোকে “শবে বরাত”র গুরুত্ব (৬)

0
128

‘নুযহাতুল মজলিসে’ যা বর্ণিত হয়েছে একথা সেটারই অনুবাদ। কিতাবের ইবারত নিম্নরূপ-
مرّعيسى بن مريم عليه السلام على جبل وأى فيه صخرة بيضاء فطاف بها عيسى عليه السلام وتعجب عنها فاوحى الله اليه أتريد ان يقرلك اعجب مما رايت فقال نعم! وعنده شجرة عنب فقال هذا رزق كل يوم فقال كم تعبد الله فى هذا خلقا افضل منه فقال فى ليلة النصف من شعبان من امة محمد صلى الله ركعتين فهوا فضل من عبادته اربع مائة عام فقال عيسى ليتنى من امة محمد صلى الله عليه وسلم-
[নুজহাতুল মাজালিস: ২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ১৫৭]
যুগে যুগে সাহাবায়ে কেরাম তাবেয়ীন, তাব‘ইতাবেয়ীন বুযুর্গানে দ্বীনগণ শবে বরাতকে সমর্থন দিয়ে এসেছেন। যেমন হযরত আবু বকর সিদ্দিক্ব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-এর মতে-
ينزل الله تعالى الى السماء الدنيا ليلة النصف من شعبان فيغفر كل مسئي الارجل مشرك فى قلبه سحناء-
আল্লাহ্ তা’আলা শা’বান মাসের চৌদ্দ তারিখ প্রথম আকাশে তাঁর তাজাল্লীর বিকিরণ করেন আর মুশরিক এবং হিংসুক ছাড়া সকল গুনাহগারকে ক্ষমা করেন।
[বায়হাকী শরীফ]
গাউসুল আজম দস্তগীর হযরত আবদুল কাদের জিলানী রহমাতুল্লাহি আলায়হি এর মতে-
فعيد الملائكة ليلة الرأة وليلة القد عيد المؤمنين يوم الفطر ويوم الاضحى وعيد الملائكة بالليل لانهم لاينامون وعيد المؤمنين بالنهار لانهم ينامن وان الله تعالى اظهر ليلة البرأة لانها الحكم والقضاء وليلة السخط والرضا ليلة القبول والرد والوصول والصد ليلة السعادة والشفا والكرامة والنقا-
অর্থাৎ ফেরেশতাগণের ঈদ হলো লায়লাতুল বরাত ও লায়লাতুল ক্বদর। আর মু’মনিগণের ঈদ হলে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দিবস। ফেরেশতাদের ঈদ হল রাত্রি বেলায় যেহেতু তারা দিনে ঘুমায়। মু’মিনের ঈদ দিনে। কেননা তারা (রাতে) ঘুমায়। আল্লাহ্ পাক শবে বরাতে প্রকাশিত হন, কেননা এ রাত নির্দেেেশর ফয়সালার, ক্রোধের ও সন্তুষ্টির, কবুলের প্রত্যাখ্যানের, নৈকট্যের, দূরত্বের, সৌভাগ্যের, দুর্ভাগ্যের, মর্যাদার এবং পরহেযগারীর রাত। [গুনিয়াতুত্ তালেবীন: পৃষ্ঠা ৩৬৫]
শবে বরাতের রোযা রাখা প্রসঙ্গ
এর নির্দেশে রয়েছে-
اذا كان ليلة النصف من شعبان فقوموا ليلها وصوموا نهارها-
অর্থাৎ যখন শা’বানের চৌদ্দ তারিখ দিনগত রজনী আসবে। তোমরা রাতে নামাযের জন্য দাঁড়াবে (রাত জেগে ইবাদত করবে) আর দিনে রোযা রাখবে। [ইবনু মাজাহ্: খণ্ড ১ম, পৃষ্ঠা ৪৪৪]
এভাবে আরো অনেক হাদীস বর্ণিত হয়েছে। মা আয়েশা ও উম্মে সালমা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার হাদীসেও দেখা যায় যে, রসূলে পাক সাল্লাল্লাহু তা’আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম শা’বান মাসে বেশী বেশী রোযা রাখতেন, যা অন্য কোন মাসে রাখতেন না। চলবে—-

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here