অনৈক্যের কারণে ৩ শতাংশ নাস্তিক বাকি ৯০ শতাংশের উপর ছড়ি ঘুরাচ্ছে

0
113

আবদুল বাতেন মিয়াজী: কান ধরে উঠবস করানোয় প্রাণ রক্ষা পায় শ্যামল কান্তি নামক এক শিক্ষকের। তখন সে সাংসদ সেলিম ওসমানকে ভগবান হিসেবে স্বীকার করে। বাপদাদা থেকে পাওয়া নিজের ভগবানকে তখন সে বাদ দেয়। কারণ সে ভগবান তার প্রাণ রক্ষা করতে এগিয়ে আসেনি।

এরপর দেশের নাস্তিক মিডিয়া আর সুশীল সমাজ এই ঘটনাকে রূপ দেয় সংখ্যালঘু হিসেবে এবং সত্যকে ধামাচাপা দিয়ে প্রচার করতে থাকে মিথ্যা সংবাদ। ফলে তা রূপ নেয় সাম্প্রদায়িকতায়। আর তখন এই শ্যামলের ভগবান সাংসদ থেকে পরিবর্তন হয় – নতুন ভগবান হলো শিক্ষামন্ত্রী, নাস্তিক মিডিয়া আর সুশীল সমাজ। সুযোগ বুঝে সাংসদের বরখাস্ত দাবী করেন। এতেই বুঝা যায়, ওই শিক্ষকের যোগ্যতা। সাংসদকে বরখাস্ত করা যায় না। অন্যায় করে থাকলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া যায়। আর কিছু বিধি অনুযায়ী তাকে সংসদ সদস্যের পদ থেকে প্রত্যাহার করা যায়। তবে শ্যামল কান্তিকে কান ধরে উঠবস করানোতে নয়। দেশের সব নাস্তিক আর সুশীল সমাজ এক যোগে কানে ধরে উঠবস করলেও নয়।

সারা দেশে নাস্তিকদের সংখ্যা হবে বড়োজোর ৩ শতাংশ। অথচ এদের কাছে সমগ্র দেশের মুসলিম জনতা – যারা হলো প্রায় ৯০ শতাংশ – জিম্মি। কারণ, নাস্তিকেরা সংগঠিত। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা সংগঠিত নয়, যদিও দেশব্যাপী বিস্তৃত। এরা সহিংসও নয়, এদের হাতে মিডিয়াও নেই। এরা হলো অসহায় ক্ষমতাহীন নিরীহ মানুষ। আর এরই সুযোগ নিয়ে মাত্র ৩ শতাংশ মানুষ বাকি ৯০ শতাংশের উপর ছড়ি ঘুরাচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here