ঘুর্ণিঝড় “রোয়ানু” নাম রাখার রহস্য

0
114

পি নিউজ ডেস্ক

অনেকেই জানেন না কী কারণে ঘূর্ণিঝড়টির নাম রোয়ানু দেয়া হয়েছে?

‘রোয়ানু’ শব্দটি মালদ্বীপের। এর অর্থ হচ্ছে ‘নারিকেলের ছোবড়ার তৈরি দড়ি’। এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের সাগর তীরের ৮টি দেশের আবহাওয়া দফতর এবং বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার দায়িত্বপ্রাপ্ত প্যানেলের তালিকা অনুযায়ী এ ঘূর্ণিঝড়ের নাম দেয়া হয়েছে রোয়ানু। নামটি প্রস্তাব করেছিল মালদ্বীপ।

বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের আবহাওয়া অফিসগুলো এই নামকরণের দায়িত্ব পালন করে থাকে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এই দায়িত্ব পালন করে ভারতীয় আবহাওয়া সংস্থা।
বাংলাদেশ, মিয়ানমার, পাকিস্তান, মালদ্বীপ, ওমান, শ্রীলঙ্কা এবং থাইল্যান্ড থেকে আরব সাগর এবং বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করা হয়।
যখনই কোনো ঘূর্ণিঝড় হয়, এই দেশগুলো থেকে নাম প্রস্তাব করা হয়।

প্রায় তিনশ’ বছর আগে প্রথম ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করা হয়েছিল। শ্রীলঙ্কার মহাপরাক্রমশালী রাজা মহাসেনের নামে এর নামকরণ করা হয়। ঘূর্ণিঝড়ের নাম এমনভাবে দেয়া হয় যেন বিজ্ঞানী থেকে সাধারণ মানুষ সহজে মনে রাখতে পারে।

এর আগে বাংলাদেশের দেয়া নাম ছিল-অনিল, অগ্নি, নিশা, গিরি। ভারতের ছিলো অগ্নি, আকাশ, বিজলী, জাল লেহার, মেঘ।
এদিকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ঘূর্ণিঝড়ের নাম নির্ধারণ করা হয়েছে- এর মধ্যে মহাসেন আঘাত হেনেছে, এরপর আসবে ‘ফাইলিন’।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here