রোয়ানুর তান্ডবে লন্ডভন্ড মহেশখালী

0
116

এ.এম হোবাইব সজীবঃ ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু তান্ডবে সাগরের অস্বভাবিক জোয়ারে পানিতে মহেশখালী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বেঁড়ীবাঁধ ভেঙ্গে নিচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। আর এতে কাঁচা ঘরবাড়ী পানের বরজ ও ফসলি জমির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি-ক্ষতি হওয়ায় দিশেহারা হয়েছে সাধারণ মানুষ। শনিবার সকাল থেকে গুটি গুটি বৃষ্টি । বৃষ্টির সাথে বাতাসের ধমকা হাওয়া বেড়ে গিয়ে সাইক্লোন রোয়ানু প্রভাব বিস্তার করে। ঘূর্নিঝড় রোয়ানু এর প্রভাবে জোয়ারের পানি দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীর নিম্ম অঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সকাল ৯টা থেকে জেয়ারের পানি উপজেলার ধলঘাটা ও মাতারবাড়ী ইউনিয়ন এবং কুতুবজুম, ছোট মহেশখালী, শাপলাপুর, রোয়ানু ঘূর্নিঝড়টি কক্সবাজারে মহেশখালী দ্বীপের উপকূল অতিক্রম করছে সকাল সাড়ে ৯ টার সময়। স্থানীয় আবহাওয়া অফিস সুত্রে জানা যায়, বাতাসের গতিবেগ ঘন্টায় ৪৬ কিলোমিটার ও সর্বোচ্ছ গতিবেগ ৭৫ কিলোমিটার পর্যন্ত হয়। সকাল দশটায় পূর্ণ জোয়ার হওয়ায় এর পরবর্তী সময়ে মহেশখালী উপকুল এবং এর অদুরবর্তী দ্বীপ ও চরাঞ্চল সমূহ ৫ থেকে ৭ ফিট উঁচু জলো”ছাসে প্লাবিত হয়। বিকেল ৫ টার দিকে পানি নেমে যেতে শুরু করে।
মাতারবাড়ীর ইউপি চেয়ারম্যান মাষ্টার মোহাম্মদ উল্লাহ দুর্যোগ কালীন সময়ে প্রাণ প্রণে ছুটে গিয়ে জনগণের পাশে ছিলেন এবং নিজের নির্বাচনী এলাকার লোক জনের ক্ষয়-ক্ষতি দেখে তিনি বিস্মিত হয়ে যান। জরুরী প্রশাসনের কাছে ত্রাণ সহায়তা চেয়েছে এবং অরক্ষিত বেঁড়ীবাঁধের সংস্কার এর দাবী জানান। ধলঘাটা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামরুল হাসান জানান, ধলঘাটা ইউনিয়নটি রোয়ানুর প্রভাবে জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়ে যায়। মহেশখালীর উপজেলার নির্বাহী অফিসার মো: আবুল কালাম ত্রাণ হিসেবে জরুরী ভিত্তিত্বে সাইক্লোন রোয়ানু আক্রান্ত এলাকার লোকজনদেরকে শুকনো খাবার বিতরণ করেন। উপজেলার কাচা ঘর, লবণমাঠ, পানে রবরজ, বেড়ীবাঁধ, চিংড়ী প্রজেক্ট, স্কুল, মাদ্রাসা হেফজ খানায় পনি প্রবেশ করে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। অপরদিকে মাতারবাড়ী ইউনিয়নে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়ে আনুমানিক ৪ হাজার ঘর পানিতে ডুবে বিধ্বস্ত হলেও হতাহতের কোন ঘটনা ঘটেনি। পানি ঢুকে লবণ, চিংড়ি ভেসে যাওয়াসহ বতসবাড়ীর আনুমানিক বিশ কোটির টাকার ক্ষতি সাধিত হতে পারে বলে জানিয়েছেন স্থানিয় লোকজন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here