কুরআন সুন্নাহর আলোকে আল্রাহর হাবীব হযরত মুহাম্মদ (দ.) হাযির নাযির (পর্ব ২৮ এবং শেষ)

0
115

 

এ থেকে বোঝা গেল যে দৃশ্যমান জগতে তার (সাল্লাল্লাহু আলাইহিস ওয়াসাল্লাম) অভিব্যক্তির পূর্বেই প্রত্যেক ব্যক্তি ও বস্তুর যাবতীয় অবস্থা তিনি অবলোকন করেছেন।
আরও কিছু দূর অগ্রসর হয়ে উক্ত রূহুল বয়ানের স্বনামধন্য লেখক সে একই বর্ণনায় আরও বলেছেনঃ-
কোন কোন বুযুর্গানে দ্বীন বলেন প্রত্যেক পুণ্যাত্মার সাথে হুযুর আলাইহিস সালামের পবিত্র রূহ মোবারক অবস্থান করে। رقيب عنيد শব্দদ্বয় দ্বার ইহাই বোঝানো হয়েছে, যে সময় রূহে মুহাম্মাদীর স্থায়ী তাওজ্জুহ হযরত আদম (আলাইহিস সালাম) থেকে অন্যত্র সরে গেল তখনই তিনি ভুল করে বসলেন এবং তার ফলশ্রুতিতে যা হবার তাই হয়েছে। একটি হাদীছে উল্লেখিত আছে যে,  যখন কোন ব্যভিচারকারী অবৈধ যৌন মিলনে লিপ্ত হয়, তখন তার নিকট থেকে ঈমান বের হয়ে যায়। উক্ত তাফসীরে রূহুল বয়ানে এজায়গায় বলা হয়েছে, এখানে ঈমান বলতে হুযুর পাকের দৃষ্টিকেই বোঝানো হয়েছে। অর্থাৎ যে মুমিনবান্দা কোন ভাল কাজ করেন তা হুযুর আলাইহিস সালাম এর কৃপা দৃষ্টির বরকতেই সম্পন্ন করেন। যে পাপ কাজ করে হুযুরের দৃষ্টি অপসারণের ফলশ্রুতিতে সেই পাপ কর্ম সংঘটিত হয়ে থাকে।
এ থেকে হুযুর আলাইহিস সালামের হাযির-নাযির হওয়ার বিষয়াটি  সুন্দনভাবে প্রতিভাত হল।
ইমাম আবু হানীফা (রহঃ) স্বরচিত কসিদায়ে নুমান নামক  প্রশংসা মূলক কাব্যগ্রন্থে বলেছেনঃ

وَاِذَاسَمِعْتُ فَعَنْكَ قَوْ لًا طَيِّبًا – وَاِذَانَظَرْتُ فَلَااَرَى اشلَّاكَ

অর্থাৎ প্রিয়নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহিস ওয়াসাল্লাম) কে সম্বোধন করে বলছেন হে নবী! যখনই আমি কিছু শুনি শুধু আপনার প্রশংসাই শুনি আর যখন কোনদিকে তাকাই তখন আপনি ছাড়া আর কিছুই আমার দৃষ্টিগোচর হয় না।
ইমাম সাহেব (রহঃ) কুফাতে অবস্থান করে চারিদিকে হুযুর আলাইহিস সালামকে দেখতে পান । -সুত্রঃ জাআল হক ১ম খন্ড-

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here