নূরে মুহাম্মদী (দ.) থেকে সৃষ্টির রহস্য! (পর্ব ১৫)

0
152

 

 

মুহাম্মাদ (সঃ) নূর সমর্থনে দলিল সমূহ 2

কুরআন মজীদের ৩টি স্থানে মহানবী (দ:)-কে ’নূর’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। আল্লাহতা’লা এরশাদ ফরমান:

 

কাদ জায়াকুম মিনাল্লাহে নূরুন ওয়া কিতাবুম্ মুবীন (৫:১৫)

অর্থ: নিশ্চয় তোমাদের কাছে এসেছেন আল্লাহর পক্ষ থেকে এক নূর (আলো, জ্যোতি) এবং স্পষ্ট কেতাব (আল্ কুরআন)

ইমাম কাজী আয়ায (রহ:) বলেন,

মহানবী (দ:)-কে ‘নূর’ বলা হয়েছে তাঁর (নবুয়্যতের) স্বচ্ছতার কারণে এবং এই বাস্তবতার আলোকে যে তাঁর নবুয়্যতকে প্রকাশ্য করা হয়েছে; আর এই কারণেও যে তিনি যা নিয়ে এসেছেন তা দ্বারা ঈমানদার (বিশ্বাসী) ও আল্লাহর আরেফ (খোদা সম্পর্কে জ্ঞানী)-দের অন্তরগুলো আলোকিত হয়েছে।

  • ইমাম জালালউদ্দীন সৈয়ুতী (রহ:) তাঁর ’তাফসীরে জালালাইন’ গ্রন্থে,
  • ফায়রুযাবাদী ‘তাফসীরে ইবনে আব্বাস’ অবলম্বনে নিজ ‘তানউইরুল মেকবাস’ পুস্তকে (পৃষ্ঠা ৭২),
  • শায়খুল ইসলাম ইমাম ফখরুদ্দীন রাযী, যিনি ৬ষ্ঠ শতাব্দীর মোজাদ্দেদ, তিনি তাঁর ’তাফসীরে কবীর’ কেতাবে (১১:১৮৯),
  • ইমাম কাজী বায়দাবী (রহ:) নিজ ’আনওয়ারুত্ তানযিল’ শীর্ষক বইয়ে,
  • আল বাগাভী তাঁর ‘মা’আলিমুত্ তানযিল’ নামের তাফসীর কেতাবে (২:২৩),
  • ইমাম শিরবিনী নিজ ‘সিরাজুম মুনীর’ শীর্ষক তাফসীর গ্রন্থে (পৃষ্ঠা ৩৬০),
  • ‘তাফসীরে আবি সা’উদ’ (৪:৩৬) প্রণেতা এবং
  • সানাউল্লাহ পানিপথী তাঁর ’তাফসীরে মাযহারী’ (৩:৬৭) কেতাবে বলেন,

(আয়াতোক্ত) ’নূর’ বলতে মহানবী (দ:)-কে বোঝানো হয়েছে।  চলবে=====

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here