এগিয়ে যাচ্ছে ফৌজদারহাট – বায়েজিদ সড়কের নির্মাণ কাজ

0
118

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক শহর বলা হয়। এই শহরে বন্দর,বিভিন্ন কারখানায় স্থাপিত। বিভিন্ন পণ্য আমদানি -রপ্তানি এই শহরে থেকে করা হয়। দীর্ঘ যানজট মুক্ত আর সময়ের অপচয় রোধে চট্টগ্রামবাসীর জন্য আনন্দ বয়ে আসছে ফৌজদারহাট থেকে বায়েজিদ সড়ক নির্মাণে।
এই সড়কে দ্রুত নির্মাণ  কাজ চলছে।
ঢাকা- চট্টগ্রাম মহাসড়কে সীতাকুণ্ডের ঠিক দক্ষিণে বাংলাবাজার পূর্ব দিকে আরেকটি সড়ক নির্মাণ হচ্ছে। ২০০৪ সালের ফৌজদারহাট থেকে বায়েজিদ পর্যন্ত ৫৫ একর জমি নিয়ে প্রায় ৭ কিলোমিটার ১২০ ফুট প্রস্থের এই  রাস্তাটির নির্মাণ কাজ শুরু করে।
২০০৪ সালে এই পর্যন্ত ২০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়ে বলে জানা গেছে।
এই সড়কটি ২১০ কোটি টাকা প্রকল্প ব্যয় নির্ধারণ করা হয়। ইতোমধ্যে ২০ শতাংশ কাজ করতে ১৭৫ কোটি টাকা ব্যয় হয়।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বড় বড় যানবাহন যাতায়াত করে ফলে দীর্ঘ যানযট সৃষ্টি হয়। ফলে জনগনের দূর্ভোগ বাড়ে। এই সড়কটি নির্মাণ  হলে বিশেষজ্ঞদের মতে সময় অপচয় রোধ হবে ।
বর্তমান ঠিকাদার দিদারুল আলম পিনিউজবিডি.কম এর প্রতিবেদক কামরুল উদ্দিনকে জানান, ২০০৪ সালে এই সড়কের নির্মাণ কাজ অন্য ঠিকাদার দ্বারা শুরু করলেই তারা চারলাইনের কাজ ২ বছর মেয়াদে ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে  কাজ শুরু করে। তার তত্ত্বাবধানে প্রতিনিয়ত ১০০ জন শ্রমিক কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, ২০১৭ সালের শেষের দিকে এই সড়কের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হবে।

45
ফৌজদারহাট থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার কাজ শেষ হয়েছে। তার মধ্যে রেলওয়ে ওভারব্রিজ নির্মাণসহ মোট ৮টি কালভার্ট নির্মাণ হয়েছে।
স্থানীয়বাসীন্দারা জানান, চট্টগ্রাম নগরীতে চারলাইনের রাস্তা হলেও শহরে যেতে বেশি সময় লাগে। যানজট উপেক্ষা করে অনেক কষ্টের মধ্যে শহরে যেতে হয়। এই সড়কটি নির্মাণ হওয়া মানে চট্টলাবাসীর জন্য সুবিধাজনক।
চট্টগ্রাম পলিটেকনিক কলেজে শিক্ষার্থীরা দ্রুত পৌছতে পারবে যেভাবে ভাটিয়ারী বড়দিঘীর পাড় দিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সহজে পৌছানো সম্ভব হয়েছে।
সিডিএ চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম ও গণপূর্ত মন্ত্রি ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বহুবার এই সড়কটি পরিদর্শন করেছে।
তারা বলেছে,এই সড়কের মাধ্যমে দেশে যানজটমুক্ত হবে। সরকার উন্নয়নের কাজে জনগনকেও এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here