সুন্নী মহাসমাবেশের লক্ষ্য ও অপপ্রচারকারীদের মুখে চপেটাঘাত

0
162

আবছার তৈয়বী:
ঢাকায় সুন্নী মহাসমাবেশটি ঠিক কী লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে- তা অনেক আগেই নির্ধারিত। এই লক্ষ্যটি পোস্টার ও দাওয়াতনামায় লিখিত আছে। যদিও এই মহাসমাবেশের অাভ্যন্তরীণ একটি লক্ষ্য আছে। আমরা যারা এই সুন্নী মহাসমাবেশের পক্ষে বা বিপক্ষে লিখছি, আমাদের উচিত- সেই লক্ষ্যগুলির আলোকে পক্ষে বা বিপক্ষে আমাদের লেখাটি সাজানো। আমরা যারা কমেন্ট করছি- তাদেরকেও বিষয়টি মাথায় রেখে কমেন্ট করা উচিত। তবেই কাকে দাওয়াত দিতে হবে আর কাকে দাওয়াত দিতে হবে না- তার একটি ধারণা মনের মধ্যে অটোমেটিক্যালি অঙ্কিত হয়ে যেতো। আমরা ‘হুজুগে বাঙালি’- আমরা বিরোধিতার খাতিরে যেমন বিরোধিতা করি, তেমনি আবার যুক্তিহীনভাবে নিজের বিবেক-বিবেচনাবোধ বন্ধক রেখে কারো লেজুড়বৃত্তিও করি। আমরা যেমন প্রতিপক্ষের ভালো গুণগুলি দেখেও না দেখার ভান করি, তেমনি আবার প্রিয়জনদের খারাপ দোষগুলি তেরপাল দিয়ে ঢেকে দেয়ার চেষ্টা করি। এটা বাঙালিদের খাসলত। এই খাসলত যেন বদলাবার নয়।

আমার গতকালের লেখা ‘কুতুববাগীকে দাওয়াত ও কাইজ্যার কচুরিপানা’ পড়ে অনেকেই নিজের ভুল বুঝতে পেরেছেন- আলহামদু লিল্লাহ্। আবার কেউ কেউ এখনো বিরোধীতা করছেন। তাদের জন্যই মূলতঃ আমার আজকের এই লেখা। কুতুববাগীর ‘ক’ না জেনেও ইতোমধ্যে আমি কুতুববাগীর ‘দালাল’ হয়েছি! আমাদের প্রিয় শামীম ভাই আমাকে ভালোবেসে ‘তৈয়ববাগী’ তকমাও দিযেছেন। তাতেও আমার আপত্তি নেই। আচ্ছা কুতুববাগীর দোষগুলি কী কী? কারো নাম ধরে দোষচর্চা করা আমার নীতিবিরুদ্ধ হলেও আমি আজ কতুববাগীর দোষগুলো নিয়ে আলোচনা করবো। তার দোষগুলোর ভিত্তি হলো- এটিএন বাংলার একটি রিপোর্ট। সেই রিপোর্টে সাংবাদিকের প্রশ্নে তিনি বিব্রত হয়েছেন, তথমত খেয়েছেন, আমতা আমতা করে উত্তর দিয়েছেন। এটা তার এক নম্বর দোষ! কিন্তু আপনারা অনেকেই জানেন না- কোন অনুসন্ধানী সাংবাদিক যে কিনা আপনার জারিজুরি সব জানে- তার সামনে আপনি নিজেও তথমত খেয়ে যাবেন। সে রকম একটি অভিজ্ঞতা আমার আছে।

১৯৯১ কি ১৯৯২ সালে সুন্নী সম্মলেন উপলক্ষে হোটেল গোল্ডেন ইনে একটি সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানে দৈনিক আজাদীর পক্ষ থেকে গিয়েছিলেন- দৈনিক আজাদীর তৎকালীন চীপ রিপোর্টার ওবায়দুল হক, দৈনিক পূর্বকোণের সাদিক ভাই, দৈনিক ইনকিলাবের ব্যুরো-চীফ মোস্তাক ভাই, ঢাকার একটি দৈনিকের পক্ষে আমি এবং আরো কয়েকজন সাংবাদিক। ভুল উচ্চারণে একটি লিখিত বক্তব্য পাঠ করা হলো। আয়োজকরা সাংবাদিকদের সমানে ‘হাওয়া’ দিতে লাগলেন। সাংবাদিকরা প্রশ্ন না করে খোশ-গল্পে মেতে উঠলেন। তাঁদের কাণ্ড-কারখানা দেখে আমি হাসবো না কাঁদবো- কিছুই বুঝতে পারলাম না। পরে অনুমতি নিয়ে আমি প্রশ্ন শুরু করলাম। আমাদের আকাবেরদের মুখ থেকে কোন কথা বেরোয় না। সাংবাদিকরা সবাই আমার মুখের দিকে হা করে থাকিয়ে আছেন। পূর্বকোণের সাদেক ভাই কেউ না দেখে মতো আমার হাতে চাপ দিলেন। নিচু স্বরে বললেন- তৈয়বী ভাই, প্লিজ! আর প্রশ্ন করবেন না। আকাবেরদের পেছনে দাঁড়ানো মাওলানা আবুল বয়ান হাশেমী চোখ বড় বড় করে আমার দিকে তাকালেন। কারো মুখেই কোন কথা নেই। এক নেতা আমার মুখের কথা শেষ হওয়ার আগেই আমার কথা কেড়ে নিয়ে কোন রকমে উত্তর দিচ্ছিলেন। তাঁর লক্ষ্য- আমি যাতে বিভ্রান্ত হই এবং আরেকটি প্রশ্ন করার সুযোগ না পাই। এই হলো সাংবাদিক সম্মেলনের অবস্থা।

আপনারা দেশে ঘটা করে ঘটে যাওয়া যে সাংবাদিক সম্মেলনগুলো দেখেন- তার একটিও প্রকৃত অর্থে ‘সাংবাদিক সম্মেলন’ না। দেশের বড় বড় নেতা-নেত্রীদের প্রশ্ন করার ওই জায়গাটিতে সাংবাদিকরা হাতে প্যাকেট নিয়ে আর বক্তব্যের কাগজটি পকেটে পুরে প্রস্থান করেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়া আর কেউই সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না। আরেকজন ছিলেন- যিনি বেশ রসিয়ে রসিয়ে, মুখ বেঁকিয়ে, অট্টহাসি দিয়ে সাংবাদিকদের যে কোন প্রশ্নের তাৎক্ষণিক উত্তর দিতেন- তিনি গত হয়েছেন। কিন্তু কিছুদিন আগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর একটি সাংবাদিক সম্মেলন দেখে আমি হতবাক। তাঁর প্রতি সাংবাদিকদের করা প্রশ্নগুলি যতোটা না প্রশ্ন ছিল, তার চেয়ে বেশি ছিল তৈল! তৈল মানে একেবারে খাঁটি তৈল, কলস কলস তৈল। সে জায়গায় এক্সক্লুসিভ রিপোর্টে একজন অল্পশিক্ষিত পীরের তথমত খাওযারই কথা। তার জায়গায় অন্য যে কোন পীর হলে কথা বলা দূরে থাক, বরং উঠে চলে যেতেন। এমনকি তাদের দরবারে কোন সাংবাদিককে প্রবেশাধিকারও দিতেন না। আপনার বিশ্বাস না হলে আপনার পছন্দনীয় পীরকে রাজি করান। আমি নিজেই তার ইন্টারভিউ নেবো। তারপর বুঝবো- কত ধানে কত চাল!

কথা সেটা নয়। কথা হলো- ওই রিপোর্টের মাধ্যমে আপনি জেনেছেন- কুতুববাগী অন্যের সম্পদ আত্মসাৎকারী। যদিও ‘এটিন বাংলা’ কারা পরিচালনা করে- তা আপনি জানেন না। আমি আপনাদেরকে এমন অনেক পীর ও গদীনশীনের সন্ধান দিতে পারি- যারা অন্যের নয়, খোদ নিজের ভাই-বোনের সম্পদ আত্মসাৎ করেছেন। দুই হাত জায়গা অথবা দানবাক্সের টাকার জন্য জন্য যুগ যুগ ধরে মামলা্ ও হামলার ঘটনাও কম নয়। তাঁরাও মহাসমাবেশে দাওয়াত পেয়েছেন। একজন কমেন্টকারী বললেন- কুতুববাগী তার আলীশান ভবনের একটি কামরার নাম রেখেছেন- ‘জান্নাতুল মাওয়া’। এটি তার ২নং দোষ। বললাম- আমাদের পাশের বাড়ির বোছনীর মায়ের একটি মেয়ের নামও ‘জান্নাতুল মাওয়া’। তো তাকে বিয়ে করলে কি আমি জান্নাতের মালিক হয়ে যাবো? আর কথা কয় না। তার আরেকটি দোষ হলো- তিনি তার আসনে লিখেছেন ‘মুজাদ্দিদ’। এই ‘মুজাদ্দিদ’ শব্দটা এতোটা সস্তা হয়েছে যে, আমাদের চট্টগ্রামেও এমন অনেকের নামের আগে ‘মুজাদ্দিদ’ শব্দটা লেখা হয়- যারা পাক-নাপাকের জ্ঞানও রাখেন না। আপনি বিভিন্ন দরবার হতে প্রকাশিত ম্যাগাজিন, পোস্টার ও লিফলেটগুলো খুঁজলে আমার কথার সত্যতাই শুধু খুঁজে পাবেন না, আরো এমন সব উপাধী ও লক্বব খুঁজে পাবেন- যার অর্থ জানলে আপনি ওই পীরকে ঘৃণা করতে বাধ্য হবেন। তাঁরাও মহাসমাবেশে দাওয়াত পেয়েছেন।

কুতুববাগীর আরেকটি দোষ হলো- তিনি টিভিতে এডভারটাইজ দেন। যদিও বিষয়টি আমার নজরে আসেনি। আপনি আমায় বলুন- কোন পীর এডভারটাইজ করে না? টিভিতে করে না তো মাইকে করে। মাইকে করে না তো ভক্ত মুরীদানের মাধ্যমে করায়। ভক্ত-মুরিদানরা করে না অালেম ভাড়া করে করায়। তাঁরাও সম্মলনে দাওয়াত পেয়েছেন। কিন্তু কুতুববাগীর আসল দোষটি কী- তা কেউই জানেন না। তাঁর আসল দোষটি হলো- ‘তিনি শুদ্ধভাবে কোরআন তিলাওয়াত করতে পারেন না’। শুদ্ধভাবে কোরআন তেলাওয়াত করতে পারেন না- এমন পীর আপনার আশে-পাশেই আছে। বিশ্বাস না হলে আপনার পছন্দনীয় পেটমোটা পীর বা গর্দানমোট গদীনশীনকে নামাযে ইমামতি করতে দিন। দেখবেন- আপনার শ্রদ্ধেয় পীরের দেহ থেকে কত লিটার ঘাম বের হয়! কিন্তু আপনি কখনো সেই পীরদেরকে নামাযে ইমামতি করতে দেখবেন না। তারা দেবেন মুনাজাত। আপনি এক কাজ করুন। আপনার পছন্দনীয় পীরের মুনাজাতটি রেকর্ড করুন। সেই রেকর্ডটি আপনার বিশ্বস্থ একজন সুন্নী আলেমকে শোনান। তারপর তিনি কী বলেন- তা আমাকে জানান।

এই হলো আমাদের পীরদের অবস্থা। যাবেনটা কোথায়? এখন পীরের ছেলেই পীর হয়। যদি তার যোগ্যতা থাকে- তাহলে কোন কথা নেই। সেটি বরং ‘নূরুন আলা নূর’ হবে। আপনি খবর নিয়ে দেখুন- বর্তমানের পীরদের অনেকেই ভালো করে একটা সূরা-কেরাত এমনকি শুদ্ধ করে কোরআনের একটা আয়াতও পড়তে পারেন না। কিন্তু আমরা কি তাঁদেরকে বর্জন করেছি? আপনি বলবেন- তিলাওয়াতের কী দরকার, তাঁদের ক্বলব তো শুদ্ধ আছে। কিন্তু আমি বলবো- তাঁদের অধিকাংশের ক্বলবও শুদ্ধ নেই। বিশ্বাস না হলে তাদের কাছে গিয়ে দেখুন- তাঁরা কী পরিমাণ হাসদ, গীবত এবং ‘কীনা’ রাখেন। প্রসঙ্গক্রমে একটি ঘটনা উল্লেখ করি। অছিয়ে গাউছুল আজম হযরত দেলাওর হোসাইন মাইজভান্ডারী (ক.) জীবন সায়াহ্নে এসে তাঁর মেঝো ছেলে শাহজাদা সৈয়দ মুনিরুল হক (রহ.) কে খিলাফত দিতে চেয়েছিলেন। যথেষ্ট যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তিনি অছিয়ে গাউসুল আজমকে বললেন- ‘আমি এ দায়িত্বের উপযুক্ত নই। আমি আমার ‘………..’ ভাইদের মতো থুতনির নীচে এক ছিলিম দাঁড়ি রেখে মানুষের সাথে প্রতারণা করতে পারবো না’। তিনি ‘বাপ কা বেটা’। সারা জীবন সাধাসিধে জীবন যাপন করেছেন। সাধাসিধে ভাবে কবরে শায়িত আছেন।

আগেকার যুগের পীরেরা হতেন- ‘মস্তবড় আলেম’। এখনকার পীরেরা ‘মস্তবড় টাকাওয়ালা’। আগে মানুষ পীর তালাশ করতো- ইলম ও তাকওয়া দেখে। এখন মানুষ পীর তালাশ করে টাকা ও প্রচারণা দেখে। আপনি আপনার ডানে-বামে তাকালে এরকম ‘মুচুন্ডুপীর’ অনেক পাবেন। তাঁরাও মহাসমাবেশে দাওয়াত পেয়েছেন। কুতুববাগী সম্মেলনে গেলে পুরো স্টেজ নাপাক হয়ে যাবে! তো কুতুববাগীর মতো বা তার চেয়েও নিকৃষ্ট আমলের অন্য পীরেরা গেলে কি মহাসমাবেশের মঞ্চে ‘মান্না-সালওয়া’ নাযিল হবে? যদি না হয়- তাহলে কেন অন্য পীরদের সম্পর্কে বলা হচ্ছে না? এক কুতুববাগীকে দাওয়াত দেয়ার কারণে যদি আমাদের নেতৃবৃন্দ দোষী সাব্যস্ত হয়- তো হাজার কুতুববাগীকে দাওয়াত দেয়ার কারণে কেন- অন্যরা দোষী হবেন না? বলুন- জবাব দিন। কুতুববাগীর আরেক দোষ হলো- তিনি পরের ধনে ধনী। তো আমি আপনাকে বলবো- বাংলাদেশে কোন পীর কৃষিকাজ বা চাকুরী অথবা ব্যবসা করে পয়সাওয়ালা হয়েছেন? কয়েকটি উদাহরণ দিন তো? কুতুববাগীর আরেকটি দোষ- কেউ কেউ বলার চেষ্টা করেছেন, তার শাজরায় ‘সৈয়দ আহমদ বেরলভী’ আছে। কিন্তু আমি আপনাকে দেখিয়ে দিতে পারবো- ওই দোষটি আপনার মান্যবর অনেক পীরের শাজরায়ও আছে। তো তাদেরকে দাওয়াত দিলে আপনার মাথাব্যাথা হয় না কেন? অথবা বালাকুটি শাজরাধারী কতেক পীর ও দরবারকে দাওয়াত করা হলে অন্য বালাকোটি- যারা সুন্নী হিসেবে সমাজে আদৃত, তাদেরকে দাওয়াত দেয়া হবে না কেন? আপনারা বলবেন- ‘এক হি উল্লু কাফী হ্যায় ওয়ায়রানে গুলিস্তা কে লিয়ে’। আমি বলবো- ‘হাজার উল্লু বৈঠে তো আঞ্জামে গুলিস্তা কিয়া হোগা? আছে কোন জবাব? থাকলে দিন।

এভাবে যদি বাছতে যান, তো আপনি নিজেকে ছাড়া আর কাউকেই ‘খাঁটি’ পাবেন না। আরে ভাই আপনি একজন ‘খাঁটি সালসা’কে নিয়ে তো আর মহাসমাবেশ হবে না। বলুন- হবে? যদিও বা আপনি কোন বনের ‘সাধু-সন্যাসী’ হয়েছেন- তা আপনার ‘জায়েযা’ নিলে বেরবের করে বেরিয়ে আসবে। এই একটি ঘটনাকে নিয়ে অপপ্রচারের ধুম্রজাল সৃষ্টি করার মানে কী? মানে আর কিছুই নয়, সুন্নী জাগরণের যে ‘ফ্লো’ সৃষ্টি হয়েছে- তাকে রুখে দেয়া। এটি রূখতে পারলে- কার লাভ এবং কার ক্ষতি হবে? কারা করছে- এসব নষ্টামী? তারা কি সুন্নীয়তের মুখোশ পড়া, খোলস ধরা ‘দাঁতাল দরিন্দা’ নয়? তারা কি সুন্নীয়তে ফাটল সৃষ্টিকারী সেই কালো খবিসটির চেলা-চামুণ্ডা নয়? তারা কি অমঙ্গলের দূতের ছাও-বাও নয়? এই সহজ-সরল বিষয়টি বুঝতে আপনাদের এতো কষ্ট হবে কেন? আর যারা দাওয়াত দিচ্ছেন- তারাই বা কেন বুঝদার হয়েও অবুঝের মতো কাজ করবেন? দাওয়াত দিতে গিয়ে সেখানে ‘ফটো সেশন’ করতে হবে কেন? নতুন নতুন বিতর্কের জন্ম দেয়ার মানেটা কী? এমন কাজ কেন করবেন- যে কাজটা করলে বিরোধী পক্ষ অপপ্রচারের সুযোগ পাবে? এর শেষ কোথায়? শেষ কথাটা আমিই বলি। তা হচ্ছে- যতোই অপপ্রচার করা হোক না কেন, সুন্নী জাগরণের এই মহাসমাবেশ ইনশাআল্লাহ্ আজিমুশশান কামিয়াব হবে। এখন আপনি সিদ্ধান্ত নিন- আপনি সেই মহাসমাবেশে যোগদান করে, সেই মহাসমাবেশের পক্ষে প্রচারণা চালিয়ে ইতিহাসের অংশ হবেন, নাকি এই মহাসমাবেশ নিয়ে অপপ্রচার চালিয়ে ইতিহাসের আস্তাকূঁড়ে নিক্ষিপ্ত হবেন? দু’টো পথই আপনার জন্য খোলা। আপনি নিজেই সিদ্ধান্ত নিন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here