চট্টগ্রামে করোনা চিকিৎসায় ‘মাইলফলক’ উদ্যোগ মা ও শিশু হাসপাতালের

0
122

রেজা মুজাম্মেল, চট্টগ্রাম:

চট্টগ্রাম মহানগরের বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সেবা বন্ধ। চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে না করোনা উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীদেরও। এমনকি বেসরকারি ম্যাক্স হাসপাতালের পরিচালক-চিকিৎসকই অক্সিজেন পাননি নিজের হাসপাতালে। এমন স্পর্শকাতর সময়ে করোনা আক্রান্ত এবং উপসর্গ দেখা দেওয়া রোগীদের সেবায় এগিয়ে আসল চট্টগ্রামের বেসরকারি বৃহত্তম স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল। প্রস্তুত করা হয়েছে ভেন্টিলেটরযুক্ত ১০টি আইসিইউ, অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধার ১০টি আইসোলেশন শয্যা এবং ৩০ শয্যার ফ্লু কর্নার। আগামী শনিবার থেকে শুরু হবে রোগী ভর্তি। প্রস্তুতি চলছে ১০০ শয্যা তৈরির।

চট্টগ্রামের ভ্ক্তুভোগী রোগীরা মনে করেন, সরকারি হাসপাতালে যখন রোগী টুইটুম্বুর, বেসরকারি হাসপাতাল যখন রোগী ভর্তি বন্ধ, তখন মা-শিশু হাসপাতালের এ উদ্যোগ যুগান্তকারী এবং মাইলফলক। আশা করি পর্যায়ক্রমে এ হাসপাতালে আরো অন্তত ৪০০ শয্যা প্রস্তুত করা হবে।
মা-শিশু হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির ট্রেজারার রেজাউল করিম আজাদ বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ভেন্টিলেটরযুক্ত ১০টি আইসিইউ, অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধার ১০টি আইসোলেশন শয্যা ও ৩০ শয্যার ফ্লু কর্নার নিয়ে ৫০টি শয্যা প্রস্তুত। আশা করি, আগামী শনিবার থেকে রোগী ভর্তি করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে আরো ১০০ শয্যার প্রস্তুতি চলছে।’

ব্যবস্থাপনা কমিটি সহ সভাপতি এস এম মোরশেদ হোসেন বলেন, শিশু হাসপাতাল জনগণের অর্থায়নে পরিচালিত হয়। করোনাকালের জনগণের এই কঠিন-করুণ সময়ে এ হাসপাতাল যদি জনগণের পাশে না থাকে তাহলে সেটি বিবেকের কাছেই প্রশ্নবিদ্ধ থাকব। তাই হাসপাতালের সর্বাত্মক সক্ষমতা নিয়ে রোগী ভর্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’