রেমিটেন্স যোদ্ধারা দেশের সোনালী সন্তান

0
108
কাজী মুহাম্মদ কামরুল হাসান শামীম:
জুলাই ২০২০ পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের রেমিটেন্স প্রবাহের হিসাব মতে বৈদেশিক মুদ্রার সর্বশেষ রির্জাভ ৩৭.১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যা এই যাবৎকালের নতুন রেকর্ড .এই রেকর্ড আমাদের আশান্বিত করেছে এবং রেমিটেন্সযোদ্ধাদের কাছে আমরা ঋণী হলাম।
এখন প্রশ্ন হলো সিভিল সার্জনের অবহেলা ,অনিয়ম এবং সমন্বয়হীনতার কারণে বিদেশগামী প্রবাসী রেমিটেন্সযোদ্ধারা কভিড ১৯ তথা করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট নিয়ে যে হারে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে তা রীতিমত উদ্বেগজনক এবং অপ্রত্যাশিত. পত্রিকার তথ্যমতে অনেক বিদেশগামী যাত্রী নিদ্দিষ্ট সময় মোতাবেক সিভিল সার্জন হতে রিপোর্ট হাতে না পাওয়ার কারনে তাদের ফ্লাইট টিককিট বাতিল হয়েছে .অনেকে ভিসা সংক্রান্ত ব্যাপারে নতুনভাবে ঝামেলায় পড়ছেন সাথে আর্থিক লোকসানের শিকার হচ্ছেন .
যেখানে সাধারণ রোগিদের চাইতে প্রবাসীদের করোনা টেষ্টের ফি অনেক গুন বেশী বলে আপত্তি রয়েছে .সেক্ষের্ত্রে সময় মোতাবেক বিদেশগামী যাত্রীদের সঠিক সময়ে করোনা রিপোর্ট হস্তান্তর না করা চরম উদাসীনতার শামিল ও সিভিল সার্জনের গাফেলতির প্রকাশ যা কোনভাবেই কাম্য নয়।
প্রবাসী কল্যাণ ও কর্মসংস্হান মন্ত্রনালয় এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী মহোদয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী মহোদয়ের প্রতি প্রবাসীদের পক্ষ হতে অনুরোধ প্রয়োজনে প্রবাসীদের জন্য করোনা টেষ্টের সার্টিফিকেটের জন্য আলাদা ডেক্স ও জরুরী সেবা এবং জনবল বৃদ্ধি করে স্পেশাল সেবা প্রদানের জন্য বিশেষ আর্জি রইল .নচেৎ প্রবাসীদের জীবন হুমকির মুখে পড়বে সাথে বিশ্ব শ্রম বাজারে কভিড ১৯ এর সার্টিফিকেট নিয়ে বিরুপ প্রতিক্রয়া সৃষ্টি হবে সর্বশেষ রেমিটেন্স প্রবাহেও ধাক্কা লাগবে এবং বাংলাদেশের অর্থনীতির চাকাকেও স্হবির করে তুলবে।
দেশ ও দশের স্বার্থে এবং দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি মজবুত রাখার জন্য প্রবাসীদের প্রতি সদয় হউন।