গণপরিবহন ফিরেছে আগের ভাড়ায়, করোনাকালীন সময়ের ভাড়া নেয়ার অভিযোগও আছে

0
43

পিনিউজ ডেস্ক: করোনা মহামারীর কারণে ৬০ শতাংশ বর্ধিত ভাড়া প্রত্যাহার করে আগের ভাড়ায় ফিরেছে গণপরিবহন ও দূরপাল্লার বাস।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) থেকে চট্টগ্রামসহ সারা দেশে করোনা পূর্ববর্তী ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।

তবে কোন কোন বাসে করোনা মহামারীর সময়ের ভাড়া আদায় কেরা হচ্ছে বলে যাত্রীরা অভিযোগ করেছেন।

করোনার সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে ৬০ শতাংশ বাড়তি ভাড়া যোগ করে দুই সিটে একজন যাত্রীকে নেয়ার অনুমতি দিয়ে গণপরিবহন চালুর অনুমতি দেয় সরকার। সে মোতাবেক ১ জুন থেকে বাড়তি ৬০ শতাংশ ভাড়া আদায় করে আসছিল গণপরিবহনগুলো।

কিন্তু কিছুদিন ধরে বাস মালিকদের বিরুদ্ধে আসন পূর্ণ করেও বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ ওঠে। এ রকম পরিপ্রেক্ষিতে বাড়তি ভাড়া প্রত্যাহার করে স্বাভাবিক নিয়মে প্রতি সিটে যাত্রী পরিবহনের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।

সকালে রাজধানীর গণপরিবহন ঘুরে দেখা যায়, যাত্রীদের কাছ থেকে আগের ভাড়া আদায় করছে বাসের কনডাক্টররা। যাত্রীরাও আগের ভাড়া পরিশোধ করে গন্তব্যে যাচ্ছেন। শতভাগ আসনে যাত্রী নিয়ে চলছে গণপরিবহনগুলো।

তবে দাঁড়িয়ে যাত্রী নেওয়ার যে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, কিছু কিছু গণপরিবহন সেটা মানছে না। বাসে মাস্ক পরা ও স্যানিটাইজার ব্যবহারের নির্দেশনাও রয়েছে।

গত ২৯ আগস্ট সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, সামগ্রিক পরিস্থিতি এবং জনস্বার্থ বিবেচনা করে সরকার আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে গণপরিবহনে আগের নির্ধারিত ভাড়ায় ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গণপরিবহনের যাত্রী, চালক, সুপারভাইজার, চালকের সহকারী, টিকিট বিক্রয়কারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে অবশ্যই মাস্ক পরিধান করতে হবে। হাত ধোয়ার জন্য পর্যাপ্ত সাবান পানি অথবা হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা রাখতে হবে। আসন সংখ্যার অতিরিক্ত কোনো যাত্রী পরিবহন করা যাবে না। অর্থাৎ যত সিট তত যাত্রী পরিবহন নীতি কার্যকর হবে। দাঁড়িয়ে যাত্রী পরিবহন করা যাবে না।

প্রতিটি ট্রিপের শুরু এবং শেষে যানবাহন জীবাণুমুক্ত করতে হবে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমি নিয়ম এবং শর্ত মেনে পরিবহন চালাতে মালিক-শ্রমিকদের আহ্বান জানাচ্ছি। পাশাপাশি যাত্রী সাধারণকেও মাস্ক পরিধানসহ নিজের সুরক্ষায় সচেতন থাকার অনুরাধ জানাচ্ছি।