ইসলাম অবমাননাকারীদের শাস্তির দাবীতে জাতিসংঘের কার্যালয় অভিমুখে বিক্ষোভ

0
96

পিনিউজ ডেস্ক: প্রিয় নবী ও কুরআনের প্রতি অবমাননা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের গভীর ষড়যন্ত্র। হযরত মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর শানে অবমাননায় কোন মুসলমানের রক্ত শীতল থাকতে পারে না। অথচ প্যারিসের বিতর্কিত পত্রিকা শার্লি এব্দো বারংবার প্রিয় নবীজিকে নিয়ে ব্যঙ্গ করে শান্তিপ্রিয় মুসলমানদের কলিজায় আঘাত করে যাচ্ছে। অপর দিকে সুইডেনের খ্রিষ্টান উগ্রগোষ্ঠি পবিত্র কুরআন অগ্নিসংযোগ করে বিশ্বকে উত্তপ্ত করে তুলেছে। ফ্রান্স ও সুইডেন সরকারকে গোটা বিশ্বের মুসলমানদের কাছে নি:শর্ত ক্ষমা চাইতে জাতিসংঘের পক্ষ থেকে চাপ সৃষ্টি করা অপরিহার্য। রাসুল (সা.)কে নিয়ে ফান্সের বিতর্কিত পত্রিকা শার্লি নিষিদ্ধকরণ এবং সুইডেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর মালমোতে খ্রিষ্টান উগ্রগোষ্ঠির পবিত্র কুরআন পোড়ানোর সাথে জড়িতদের শাস্তি প্রদানসহ ফ্রান্স ও সুইডেনকে নি:শর্ত ক্ষমা চাইতে জাতিসংঘের পক্ষ থেকে চাপ সৃষ্টির দাবীতে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, যুবসেনা ও ছাত্রসেনা ঢাকা মহানগরের উদ্যোগে জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধির কার্যালয় অভিমুখে বিক্ষোভ ও স্বারকলিপি প্রদান কর্মসূচির অংশ হিসেবে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব প্রিন্সিপাল স.উ.ম.আব্দুস সামাদ এসব কথা বলেন।
বিক্ষোভ প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক ও বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট ঢাকা মহানগরের অর্থ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হেলাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং নগর ইসলামী ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আব্দুল হাকিমের সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সিনিয়র যুগ্ম সাংগঠনিক সচিব সৈয়দ মুজাফফর আহমাদ, অ্যাডভোকেট ইসলাম উদ্দীন, মাওলানা মুহিউদ্দীন হামিদী, মাওলানা বদরুল আলম, মাওলানা আব্বাস উদ্দীন, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রিন্সিপাল আবু নাছের মুহাম্মদ মুসা, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনার কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ছাত্রনেতা ইমরান হুসাইন তুষার, সাংগঠনিক সম্পাদক কাউসার আহমদ রুবেল, বাংলাদেশ ইসলামী যুবসেনা ঢাকা মহানগরের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ মাসউদ হোসাইন, বাংলাদেশ ইসলামী যুবসেনার কেন্দ্রীয় সহ অর্থ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ, মাওলানা ফরহাদুল ইসলাম বুলবুলি, কাজী জসিম উদ্দিন নুরী, কাজী তৈয়্যব আলী, মাইনুল ইসলাম, মুফতি মোবারক হোসাইন। বক্তারা বলেন, মুসলমান জাতিকে আরও শত্রুভাবাপন্ন করে তোলার ইন্ধন জোগানো হচ্ছে। মুসলিমদের হেয় করে উসকে দেয়া হচ্ছে। এটা কখনোই মুক্তচিন্তা বা ‘রাইট টু ফ্রিডম অব স্পিচ’ হতে পারে না। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধির কার্যালয় অভিমুখে বিক্ষোভ মিছিল এগিয়ে গেলে পুলিশের বাঁধা ও অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে একটি প্রতিনিধি দল আবাসিক প্রতিনিধিকে স্বারকলিপি প্রদান করে।